সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মৎস্যজীবী মিন্টুর পরিবারে অন্ধকার, ঘরে নেই খাবার

  • আপলোড সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ০৮:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৯-২০২৫ ০৮:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন
প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মৎস্যজীবী মিন্টুর পরিবারে অন্ধকার, ঘরে নেই খাবার
বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি :: হাওরপাড়ের এক মৎস্যজীবী পরিবার আজ গভীর সংকটে। প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মিন্টু বর্মণ (৩৫)। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম এই ব্যক্তি বর্তমানে কর্মক্ষম নন। ফলে তিন সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে তার পরিবারের জন্য। গত ৩১ আগস্ট বাহাদুরপুর গ্রামের বিজয় বর্মণ (২৪), অজয় বর্মণ (২৮) ও গৌতম বর্মণ (২২) সহ কয়েকজনের আক্রোশের শিকার হন মিন্টু। হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন দোয়ারেরপাড় এলাকায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এসময় তার হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে শয্যাশায়ী অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন। মিন্টুর স্ত্রী রাণী বর্মণ চোখে পানি নিয়ে বলেন, “আমার স্বামী মাছ ধরে সংসার চালাতেন। এখন তিনি কাজ করতে পারছেন না। ঘরে খাবার নেই, সন্তানদের কীভাবে ভরণপোষণ করবো ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।” তাদের তিন সন্তান- মুক্তা বর্মণ (১৩), ঐশি বর্মণ (১০) ও অসিত বর্মণ অভি (৭) এখন পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনের পরিবর্তে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুষেন বর্মণ বলেন, আমরা কয়েকজন না এগিয়ে এলে মিন্টু হয়তো লাশ হয়ে ফিরত। কয়েকজন মিলে তাকে নির্মমভাবে মারধর করেছে। অভিযুক্ত অজয় বর্মণ ও বিজয় বর্মণও হামলার ঘটনা স্বীকার করে জানিয়েছেন, রাগের বশে এ ঘটনা ঘটেছে এবং তারা আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ জানান, গরীব মৎস্যজীবী পরিবারটিকে সহায়তা করতে স্থানীয়রা প্রাথমিক চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা ও সংসার চালাতে সমাজের সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ